যে ঘুমিয়ে আছে ডেকে নাও তাকে জীবনের বাঁকে যে টানে গড়িয়ে গেছে কালিকের রথ সভ্যতার ভূমি বেয়ে চলে গেছে বিশ্বাসের কাছে যে বিশ্বাসে মানুষ মানুষকে মানুষ বলে জানে জীবনকে মানে আকাশের মতো সেই নিবি…
অতঃপর একদিন চলে যাই একদিন খুব করে নড়ে ওঠে সবুজ পাতার টুপি ঝিরিঝিরি বৃষ্টি নামে আমার শহর জুড়ে একদিন খুব করে উড়ে যায় নীল রঙের ঘুড়ি ম্লানমুখে রোদ আসে সমস্ত আকাশ জুড়ে একদিন খুব করে প্রার্থনারত শাদা রেশমে…
একদিন,, বিজ্ঞাপনের মুখোমুখি হবো। দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলবো, এই বিজ্ঞাপন আমার হতে পারে না। যে বিজ্ঞাপন কথা বলে অক্ষরের। আমি ভাত চাই। আমার পেট ভাতের। অক্ষর খেয়ে আমি বাঁচতে শিখেনি। আমি অক্ষরের বিজ্ঞাপন চা…
রিফুজিলতা বেয়ে বেয়ে আমি কোথায় যাব? কোথায় তোমার শেষ? আমি ক্লান্ত হতে হতে ক্লান্ত হতে হতে যখন পড়ে যাব পড়ে গিয়ে আটকাব তোমরই লতায়... কোথায় পৌঁছাব আমি রিফুজিলতা বেয়ে? আমিও কি রিফুজি হব? তোমার ঘরের …
যায় সেই আরো এই একটি নতুন পৃথিবীর মায়া গায়ে পায়ে নিয়নের আলো পড়ে মনে পড়ে যাপন মনে করে নেয় দেয় মায়ামেঘ ধুলিমাখা উঠোন লাল এক দীর্ঘ চিন্তা উড়ে যায় সেই- আকাশ কালোজামা পড়া বণিকের ফার্ম হাউজের চাপ নিলাম হয় …
আমার ভুল পরিণত হয় ফুলে আমার কাজে তোমার সম্পাদনা পেলে তোমার চোখ রাঙানো শাসন আমার সঠিক পথ,উত্তম সিংহাসন । তুমি চিরদিন ভীষন কঠিন তুমি চিরকাল রক্ত পানি করে ঘায়ের ঘাম জড়িয়ে আমাদের জন্য বুনো…
ও চোঁখের চাহনিতে হৃদয় হলো খুন, তোমার নামে শুরু হলো আমার পুরোটা জীবন । একটি চোঁখের পলক যেন বলে শত কথা, একেকটি কথা যেন আমার হৃৎ মাজারে বিনি সুতোয় গাঁথা । সহস্র দিন অথবা তাঁর ও অধিক পথ চেয়ে রই, এই বু…
শতাব্দীর থেকে প্রেম ধার নিয়ে লিখতে গিয়ে আতকে উঠেছি। এই শতাব্দীর বুকে গাঢ় অন্ধকার নেমে আসে অচিরেই। প্রেম লেখার মতো কোনো জ্যোৎস্না নেই। শুধু খোঁজে পেয়েছি। কিছু ধর্ষিতার জ্বলন্ত চিতা। রাজ মুকুটের লড়াইয়…
তিনটে ঘর কুনো মাছি, তেইশটা ড্রসোফিলা আর বারোটা পিঁপড়ে নিয়ে ফুটপাতে চা খাচ্ছি । একবার তৃপ্তি করে চা খেলে তেত্রিশটা পাপ মোচন হয়। হিসেবের খাতায় আঠাশটা পাপ জমে আছে কাল, কাল করে মাস ছয়েক ধরে একটাও পাপ ক…
তুমি বিপজ্জনক জেনেও চোখ বুজে তোমার শরণাপন্ন হই, তুমি অজস্র চোখ ছেড়ে দাও আমার দিকে, জানো যখন, লাঠি ধরে রাস্তা পারাপার হওয়ার আগে দান করে যাব চোখ, কুঁচকানো ভুরু, চুমু খাওয়া কালচে ঠোঁট। বাদবাকি যা পড়ে থ…
পা রাখলেই খুলে যাবে বিশাল রাস্তা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে যেতে পারে পাখিদল- শরীরের কাঁটাতার বেয়ে ঘুমের মতো বেঁচে থাকতে পারে হাজার রিফিউজীলতা বাস এসে এইমুহূর্তে একজন মহিলাকে থেঁতলে গেলো, এই লেখাটা লিখতে লিখতেই…
কবি দেবাশ্রিতা চৌধুরী ভিজতে চাইনি অনিচ্ছার শ্রাবণে তবু ভেজা হলো আশরীর ডুবতে যাইনি অগভীর সাগরে গভীরতা দিলোনা বাড়িয়ে হাত তাই নোনাজলে আজীবন খোঁজে মুক্তো ডুবুরি মন খুলে অকারণে …
লিখেছেন শঙ্খ সেনগুপ্ত চেপে যান, আরেকটু চেপে যান, একটু পেছনে সরুণ, একটু সাইডে চাপুন, এই যে, শুনছেন- সরে দাঁড়ান তো একটু। মাথা তো গেছে, এখন দেখছি, চোখ, কান সব খুইয়েছেন! পাদানীতে কেও দাঁড়িয়ে পরে নাকি?…
লিখেছেন দেবাশিস চৌধুরী হারিয়ে যায় স্মৃতি বিকৃত ইতিহাসের গালে চুমু খায় বেকায়দা যৌবন। রোদের ছোঁয়া লাগলেই গলে পড়ে সিন্ধু সভ্যতার মোম। অজান্তে তৈরী হয় ব্যাথার মহাকাব্য। রান্না ঘরে উনুনের ধোঁয়া উড়িয়ে পা…
মৃত বরাহ, ভীষণ রাম রাজ্য, বিকলাঙ্গ ফড়িং দাঁতের ব্যথায় কাতরানো আকাশ -তুমি, আমি, হতাশাগ্রস্থ জম্পুই ও ভূবন ব্রু আমার একবিংশতম প্রেমিক - ভূবন ব্রু তার দুটো হাত ছিল, একটা মগজ আর ডজন কতক বিড়ি । রান্না জান…
লিখেছেন জেরী চন্দ রবিবারের শহর জিপ খোলা স্কুল ব্যাগের মতোই নিঃস্ব বহুব্যাবহৃত শরীর মন নিয়ে নিস্তেজ হয়ে ধর্মনগরের- মানচিত্রে পড়ে আছে। রাস্তার বাঁপাশে অত্যন্ত নিরাপদ ভাবে দাঁড়িয়ে নালী ছেঁড়া ঝাল দিয়ে …
কবি দেবাশিস চৌধুরী একটি যৌবন একটি বসন্ত নিভে যাবে তবু ---- ভোরের আলোয় মুখ দেখতে বারবার বেঁচে ওঠে নুসরত , নির্ভয়া।
লিখেছেন অভিজিৎ আমি জনতার মাঝে দাঁড়িয়ে নই আমি মহারাজের ঠিক পেছনে আছি মহারাজের কথায় যখন জনতা হাসে আমি তখন হাসিনা কেউ কেউ ভাবে আমার হাসতে মানা আসলে তা নয় আমি ঈশ্বরের মত কেউ দাঁড়িয়ে থাকলে আমার হাসি পায়…
লিখেছেন দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য কান্নার কোন প্রতিশব্দ হয় না একা একা কান্না কেও ফিরেও দেখেনা তোমাকে বার বার বলেছিলাম কেঁদো না কি হবে কেঁদে তোমার কান্নায় কি দেশ বদলাবে নাকি রাজনীতির কারবারি রা চোরি চোর…
লিখেছেন অভিজিৎ দাস রাত ছিল রাতের আঁধার ছিলনা কোথাও মথায় কেশ ও স্বপ্নের মশাল জ্বেরে সবাই ফুলের টব হয়ে কাক খুঁজছিল কাকের মাংস বিনা মসলায় পুড়িয়ে খেলে বেতোদের উপকারে লাগে খুব পরদিন বেলা দুটোয় দধিচী ক…
Social Plugin